ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হয়, সেখানে থাকা নারী একজন চিকিৎসক। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তিনি গাইনি ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগের চিকিৎসক ও সার্জন হিসেবে পরিচিত এবং ঢাকার কয়েকটি চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পেশাগতভাবে যুক্ত ছিলেন বা আছেন বলে তথ্য পাওয়া যায়।