অন্যদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দেশের চলমান ‘যুদ্ধও নয়, শান্তিও নয়’ পরিস্থিতির অবসান চেয়েছেন। তিনি বলেন, দেশটির অনেক নাগরিকের পক্ষে এখন খাবার কেনাও কঠিন হয়ে পড়েছে। যুদ্ধের প্রভাব এবং ইরানের তেল রপ্তানি ও বাণিজ্যের ওপর বিধিনিষেধের কারণে দেশটির অর্থনীতি তীব্র চাপের মুখে রয়েছে।
হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি চালকবিহীন ডুবো ড্রোন জব্দ করার দাবি করেছে ইরান। দেশটির দাবি, অত্যাধুনিক এই স্বয়ংক্রিয় পানির নিচের যানটি সামরিক অভিযানে নজরদারি ও বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহে ব্যবহৃত হচ্ছিল। তবে ইরানের এ দাবি নাকচ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন।
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিশ্ববাজারে তেল রপ্তানিতে বড় ধরনের ধস নেমেছে। সংঘাত শুরুর আগের সময়ের তুলনায় গত আগস্টে অঞ্চলটি থেকে অপরিশোধিত তেল রপ্তানি ৩৯ শতাংশ কমেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাত শুরু হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে দ্রুত বাড়ছে তেলের দাম।