এদিন সকালে গ্রেপ্তার ১০ আসামিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। তাদের মধ্যে রয়েছেন হাসানুল হক ইনু, শাহরিয়ার কবির ও দীপু মনি। তবে অসুস্থ থাকায় সাংবাদিক ফারজানা রুপাকে আদালতে হাজির করা হয়নি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক মো. জাকির হোসেন গত ১৯ আগস্ট নূরুল ইসলাম সুজনকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। ওই দিন আদালত আসামির উপস্থিতিতে রোববার শুনানির দিন ধার্য করেন। এদিন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী মোর্শেদ আলম শাহীন এর বিরোধিতা করেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামলার এজাহার অনুযায়ী গত ৩ ও ৪ জুলাইয়ের মধ্যবর্তী রাতে মনজিৎকে চণ্ডীগড়ের সেক্টর-৩৪ এলাকায় ডেকে পাঠান তার পরিচিত দুই ব্যক্তি শুভি ও পিন্ডা। সেখানে তাকে মারধরের পর জোর করে একটি গাড়িতে তুলে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
স্ট্যাটাসে হাদি বলেন, ‘মঞ্চ ৭১’-এর পক্ষ থেকে তাকে রাষ্ট্রদ্রোহী হিসেবে গ্রেপ্তারের দাবি জানানোর মধ্য দিয়ে ইনকিলাব মঞ্চ তাদের আন্দোলনের ‘সেকেন্ড ফেইসে’ প্রবেশ করেছে। নিজের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে তিনি দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবন ও বক্তব্য উৎসর্গ করার কথাও জানান।
ডা. বাবলু কিশোর বিশ্বাস বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে চারজনকেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। নিহতদের মুখমণ্ডলের বিকৃতি পচন ধরার কারণে হয়েছে। সেখানে অ্যাসিড বা অন্য কোনো রাসায়নিক ব্যবহারের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে নিহত প্রার্থী চক্রবর্তীর চোয়াল ভাঙার কোনো আলামতও ময়নাতদন্তে পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
রায়ে প্রধান আসামি বিধান চন্দ্রকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত নন্দিনীর স্বজনরা। নন্দিনীর বাবা নলনী মোহন বর্মন দ্রুত এ সাজা কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়রাও আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নন্দিনীর পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে বলে মনে করছেন।
মামলার নথি ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালের ২৮ আগস্ট মহাদেবপুর উপজেলার দোহালী কোয়ালীপাড়া গ্রামের শামীম সরদারের সঙ্গে হালিমা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তারা ঢাকায় বসবাস করতেন। তাদের একটি কন্যাসন্তান জন্মের পর শামীম স্ত্রী ও সন্তানের প্রতি অবহেলা শুরু করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই পারিবারিক বিরোধ দেখা দিত।