একটি ভয়াবহ চক্রান্ত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পেরেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।
সোমবার সকালে নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার কথা জানান তিনি। পরে সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে পদ ছাড়ার ঘোষণা দেন এই সংসদ সদস্য।
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারছে না, তাই ইশরাক হোসেনকে অস্ত্র হাতে মাঠে নামতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন।
মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়েই বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে এবং বিশেষ কারণে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর পদত্যাগের সিদ্ধান্ত দল চায়নি; বরং দলের ইচ্ছার বিরুদ্ধেই তাঁকে এ সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। পদত্যাগের পর মাদকের বিরুদ্ধে আরও কঠোরভাবে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।
ইশরাক হোসেনের প্রসঙ্গ টেনে এনসিপির এই নেতা বলেন, ইশরাক নতুনভাবে রাজনীতিতে নেমেছেন। মাদকের বিস্তার বন্ধ করার বিষয়ে তাঁর ভালো উদ্দেশ্য ছিল। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দায়বদ্ধতার জায়গায় ব্যর্থ হলে তার ভোগান্তি অন্য কাউকে পোহাতে হচ্ছে। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মতে, এটি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতা।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন ইশরাক হোসেন। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, দুপুর ২টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ ঘোষণা দেবেন।
মাদকবিরোধী অভিযানে পিস্তল হাতে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেনকে দেখা যাওয়ার পর তাঁকে ইঙ্গিত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কবিতা পোস্ট করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।
রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী কর্মসূচিতে ব্যক্তিগত লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তাঁর দাবি, নিরাপত্তাঝুঁকি ও সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় আত্মরক্ষার জন্য তিনি ও তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা অল্প সময়ের জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন।