রাঙামাটির সাজেকে অবরোধকারীদের ওপর হামলা, লাঠিচার্জ এবং ঘরবাড়ি ও দোকানপাট ভাঙচুরের অভিযোগের প্রতিবাদে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি জেলায় আধাবেলা সড়ক অবরোধ চলছে। সাজেকবাসীর দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে শনিবার (২৪ অক্টোবর) এ কর্মসূচি পালন করছে ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ।
জানা গেছে, সকাল ৮টার দিকে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত তানিয়াকে দ্রুত পানছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক রেজওয়ান তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তানিয়া মাটিরাঙ্গা উপজেলার পুরাতন বরনাল এলাকার মো. আনোয়ার হোসেন ও পারভিন সুলতানা দম্পতির মেয়ে।
বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে বৌদ্ধমনিপাড়া বিওপির নায়েব সুবেদার মো. এমদাদুল হকের নেতৃত্বে বিজিবির একটি নিয়মিত টহল দল কচুছড়িমুখ পাড়া এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১২০ থেকে ১৫০ গজ দূরে অন্ধকার স্থানে কয়েকজনের সন্দেহজনক উপস্থিতি দেখতে পান টহল সদস্যরা।
শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মাথায় একাধিক সেলাই এবং পিঠ ও দুই পায়েও আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। শিশুটির অভিযোগ, সামান্য ভুল হলেই তাকে মারধর করা হতো। শরীরের বিভিন্ন স্থানে গরম খুন্তি দিয়ে ছ্যাঁকা দেওয়ার পাশাপাশি ঠিকমতো খাবার দেওয়া হতো না এবং দিনের বেশির ভাগ সময় তাকে টয়লেটে আটকে রাখা হতো।
আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। খাগড়াছড়ি জেলা শহরের বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি জোনের পক্ষ থেকে রান্না করা খাবার ও সুপেয় পানি বিতরণ করা হয়েছে।
পার্বত্যাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর খাগড়াছড়ি জোন। এরই ধারাবাহিকতায় ছানি অপারেশনের জন্য নির্বাচিত প্রথম ধাপের ৮৪ জন রোগীকে খাগড়াছড়ি থেকে চট্টগ্রাম লায়ন্স হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রশিক্ষণে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ৩৬ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিয়েছেন। তিন সপ্তাহ ধরে চলা এ প্রশিক্ষণে পানছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তাসহ চার থেকে পাঁচজন প্রশিক্ষক বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক প্রশিক্ষণ দেবেন।
মতবিনিময় সভায় জেলার স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কৃষিসহ বিভিন্ন খাতের সমস্যা, অনিয়ম, দুর্নীতি ও সম্ভাবনার বিষয় তুলে ধরেন সাংবাদিকরা। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার সংকট, শিক্ষা খাতের নানা সমস্যা, কৃষির সম্ভাবনা ও প্রতিবন্ধকতাসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে পরিষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।
রোববার (৩০ আগস্ট) খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান। এ সময় পাহাড়ের সার্বিক পরিস্থিতি, শান্তি-শৃঙ্খলা, সম্প্রীতি, উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন, আদর্শ ও শিক্ষার বিভিন্ন দিক স্মরণ করা হয়। একই সঙ্গে মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডিআইজি আবদুল কুদ্দুস চৌধুরী বলেন, নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য সবাইকে মাদকমুক্ত হতে হবে। মাদক আমাদের বড় একটি সমস্যা। এটি নির্মূলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে খাগড়াছড়ি সদরের আনন্দ ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি জোনের জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল আমিনুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আনন্দ ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক শ্যামল আগষ্টিন রোজারিও।