শাহজালাল রুমি জানান, তিনি মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কক্ষের বাইরে প্রায় ১৫ মিনিট অপেক্ষা করেন। পরে অভিযুক্ত শিক্ষক এলে তাঁকে ঘটনার বিষয়ে প্রশ্ন করেন। রুমির ভাষ্য অনুযায়ী, শিক্ষক তাঁকে জানান, তিনি শিশুটির সঙ্গে জোরাজুরি করেছেন এবং তাকে চুমু দিয়েছেন। এ কথা শোনার পর একজন অভিভাবক হিসেবে তিনি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি বলে দাবি করেন।
স্থানীয় ও মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, কয়েকজনের সঙ্গে মাদ্রাসা সংলগ্ন পুকুরে গোসল করতে নামেন শিক্ষক রাইহান। একপর্যায়ে সাঁতার কাটতে কাটতে পুকুরের মাঝামাঝি গেলে তিনি পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ হন। বিষয়টি বুঝতে পেরে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা দ্রুত তাকে উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করেন।