ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ২৩ জন সেনাসদস্যের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন। নতুন করে আরও দুই সেনাসদস্যের মৃত্যুর তথ্য যুক্ত হওয়ায় মোট প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ২৩ হয়েছে।
পেন্টাগনের ডিফেন্স ক্যাজুয়ালটি অ্যানালাইসিস সিস্টেমের ওয়েবসাইটে সম্প্রতি যুক্ত হওয়া তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে নথিভুক্ত দুই সেনাসদস্যের মৃত্যু যুদ্ধের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। ওয়েবসাইটের হিসাবে, শত্রুপক্ষের হামলায় ১১ জন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। বাকি ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে অন্যান্য কারণে, যার মধ্যে দুর্ঘটনা ও অসুস্থতাও রয়েছে।
‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি তালিকায় যুক্ত হওয়া দুই সেনাসদস্যই বিমানবাহিনীর সদস্য। তাঁদের একজন অসুস্থতাজনিত কারণে মারা গেছেন। অন্যজনের মৃত্যুর কারণ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
পেন্টাগনের ওয়েবসাইটে নতুন মৃত্যুর তথ্য দুটি ‘ওভারসিজ অপারেশনস’ তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। গত মে মাসে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান শেষ হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর পেন্টাগন ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামটি ব্যবহার বন্ধ করে। এরপর থেকে ওই তালিকায় সেনাসদস্যদের মৃত্যুর তথ্য নথিভুক্ত করা হচ্ছে।
মৃত্যুর কারণের ভিত্তিতে পাওয়া এই হিসাব থেকে বোঝা যায়, ইরান যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর মোট প্রাণহানির সব ঘটনাই সরাসরি শত্রুপক্ষের হামলার কারণে ঘটেনি।