Chief TV - Leading online news portal of Bangladesh.

collapse
Home / খেলাধুলা / কার হাতে উঠছে এবারের ব্যালন ডি’অর? - Chief TV

কার হাতে উঠছে এবারের ব্যালন ডি’অর? - Chief TV

2026-10-26  ডেস্ক রিপোর্ট  33 views
কার হাতে উঠছে এবারের ব্যালন ডি’অর? - Chief TV

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কার ব্যালন ডি’অর। বছরের সেরা ফুটবলারের হাতে সোনার বল উঠবে কার—তা জানতে ফুটবলপ্রেমীদের অপেক্ষা শেষ হচ্ছে আজ রাতে। ৭০তম ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানে পুরুষ ও নারী বিভাগের সেরা খেলোয়াড়ের নাম ঘোষণা করা হবে।

এবার পুরুষ বিভাগে পুরস্কার জয়ের আলোচনায় রয়েছেন স্পেনের তরুণ তারকা লামিন ইয়ামাল, ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক এক বিশ্লেষণে সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে এগিয়ে রাখা হয়েছে বার্সেলোনার ইয়ামালকে।

ফরাসি তথ্য বিশ্লেষণ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান আভিসিয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ের ক্ষেত্রে ইয়ামালের সম্ভাবনা ২৩ শতাংশ। ২১ শতাংশ সম্ভাবনা নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখের ইংলিশ ফরোয়ার্ড হ্যারি কেইন। আর ১৯ শতাংশ সম্ভাবনা নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন রিয়াল মাদ্রিদের ফরাসি তারকা এমবাপ্পে।

প্রতিষ্ঠানটির বিশ্লেষণে শীর্ষ পাঁচের তালিকায় রয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসিও। তাঁর সম্ভাবনা ১৮ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের ব্যালন ডি’অর নিয়ে আভিসিয়ার পূর্বাভাসে ফরাসি ফরোয়ার্ড উসমান দেম্বেলের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। অন্যদিকে, বাজির বাজারের হিসাবেও এবার হ্যারি কেইনকে অন্যতম দাবিদার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সম্ভাব্য বিজয়ী নিয়ে আলোচনায় ফুটবলবিশ্বের পরিচিত ব্যক্তিরাও নিজেদের মতামত তুলে ধরেছেন। আতলেতিকো মাদ্রিদের কোচ দিয়েগো সিমিওনের মতে, মেসি ব্যালন ডি’অর পাওয়ার যোগ্য। বিশ্বকাপের পরও তাঁর পারফরম্যান্স এবং বয়সের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ধারাবাহিকতা ধরে রাখার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন আর্জেন্টাইন এই কোচ।

ইতালির সাবেক ফুটবলার মার্কো মাতেরাজিও মেসির প্রশংসা করেছেন। তাঁর মতে, ৩৮ বছর বয়সেও মেসি যে মানের ফুটবল খেলছেন, তা তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে রেখেছে।

ব্যক্তিগত পরিসংখ্যানের দিক থেকে এমবাপ্পেও শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী। লা লিগায় ২৫ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে ১৫ গোল করে শীর্ষ গোলদাতার তালিকায় এগিয়ে থাকার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে প্রতিবেদনে। বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জয়ের পাশাপাশি বিশ্বকাপের ইতিহাসে ১২ গোলের রেকর্ডও তাঁর পক্ষে আলোচনায় এসেছে।

অন্যদিকে, হ্যারি কেইন গত মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৭৩ গোল করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১১-১২ মৌসুমে মেসির ৮২ গোলের পর এটিকে কোনো খেলোয়াড়ের সর্বোচ্চ গোলসংখ্যা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

তবে ব্যক্তিগত সাফল্যের পাশাপাশি দলীয় অর্জনও ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এমবাপ্পে ক্লাব বা জাতীয় দলের হয়ে কোনো শিরোপা জিততে না পারলেও কেইন বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে বুন্দেসলিগা জিতেছেন। তবে ইংল্যান্ডকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থানে নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে।

এই জায়গায় এগিয়ে ইয়ামাল। চোটের কারণে তাঁর মৌসুম তুলনামূলক ছোট হলেও স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ এবং বার্সেলোনার হয়ে লা লিগা জয়ের সাফল্য তাঁকে আলোচনায় রেখেছে। বড় টুর্নামেন্টে শিরোপা জয়ের অভিজ্ঞতা ব্যালন ডি’অরের ভোটে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হয়।

তবে দলীয় শিরোপাই এই পুরস্কারের একমাত্র মাপকাঠি নয়। পুরো মৌসুমে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স, ব্যক্তিগত নৈপুণ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলের জন্য অবদানও বিবেচনায় আসে। ফলে গোলসংখ্যা কিংবা শিরোপার হিসাব দিয়ে এককভাবে বিজয়ী নির্ধারণ করা কঠিন। শেষ পর্যন্ত কার হাতে উঠবে সোনার বল, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য।


Share: