অভিযানকালে স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের কোনো ধরনের আশ্রয়-প্রশ্রয় না দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়। পাশাপাশি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান যৌথ বাহিনীর কর্মকর্তারা।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, সকালে বাবা আনচারুল করিম নিজেই মেয়েকে স্কুলে পৌঁছে দেন। ক্লাস শেষে দুপুর দেড়টার দিকে পার্শ্ববর্তী বাসার আরও দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে ট্যাক্সিযোগে বাসার সামনে পৌঁছায় নাওয়াল। গাড়ি থেকে নামার সময় দ্রুতগতিতে আসা একটি বিদ্যুৎচালিত অটোরিকশা তাকে ধাক্কা দেয়। এতে সে সড়কে ছিটকে পড়ে আহত হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাতে মোটরসাইকেল নিয়ে পুরানগড় ইউনিয়নের দক্ষিণ এলাকার একটি সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন জাহেদ। এ সময় আগে থেকে ওঁত পেতে থাকা একদল দুর্বৃত্ত তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। পরে তাকে ঘিরে ধরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।
রোববার (৩০ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে বোয়ালখালী উপজেলার চরণদ্বীপ মসজিদ ঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার মহিউদ্দিন উত্তর করলডেঙ্গা শিকদার বাড়ি এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে আবদুল মান্নান নামে এক ব্যক্তি সিআর মামলা করেন। ওই মামলায় আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড স্নেক রেসকিউ টিমের সদস্য আমীর হোসাইন শাওন সাপটি উদ্ধার করেন। তিনি জানান, ওই বাড়ির বারান্দায় বস্তাভর্তি বালি ও ভাঙা ইটের টুকরো স্তূপ করে রাখা ছিল। সেখান থেকে বালি নেওয়ার সময় পরিবারের সদস্যরা সাপটির উপস্থিতি টের পান।
ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর ইউনিয়নের হাছি চৌধুরী বাড়ির মো. লোকমানের ছেলে মোবারক। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা তেমন না থাকায় নিজের নাম কোনো রকমে লিখতে পারলেও পড়তে পারেন না বলে পুলিশ জানিয়েছে। কর্মজীবনের শুরুতে রংমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করতেন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে বারৈয়ারহাট বাজার থেকে নতুন মোটরসাইকেল কিনে বন্ধু ওমরকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন শুভ। পথে মিরসরাই জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল সড়কের বড়তাকিয়া গেট এলাকায় দ্রুতগতির একটি লরির সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
নিহতরা হলো—দক্ষিণ সুন্দরপুর গ্রামের সিকদার বাড়ির প্রবাসী জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মো. জাহেদ (৮) এবং একই বাড়ির প্রবাসী আব্দুল শুক্কুরের ছেলে মো. তাসিন (৮)। তারা সম্পর্কে আপন চাচাতো ভাই। দুজনেই স্থানীয় এককুলিয়া দারুস সুন্নাহ নূরানী মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
মোছাইব উদ্দিন বখতিয়ার বলেন, বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ধরায় আগমন উপলক্ষে আনন্দ মিছিল বা জশনে জুলুস উদযাপন একটি সুন্নত ও অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। প্রতি বছর এ আয়োজনে কোটি কোটি আশেকে রাসুল ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দের সঙ্গে অংশ নেন।
আহত শাহিন আহমেদ ঢাকার উত্তরা এলাকার বাসিন্দা। তিনি কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনে ফিরছিলেন। পথে হঠাৎ বাইরে থেকে ছোড়া একটি পাথর এসে তার মাথায় আঘাত করে। এতে মাথা ফেটে তিনি আহত হন।
দারিদ্র্যের কারণে দীর্ঘদিন চোখের সমস্যায় ভুগছিলেন রোকেয়া বেগম। চিকিৎসার খরচ বহন করা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়েছিল। পরে রয়েল কমিউনিটি চক্ষু হাসপাতাল ও ফ্যাকো সেন্টারে বিনামূল্যে চিকিৎসা ও অপারেশনের সুযোগ পান তিনি। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পেরে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আজ রোববার বেলা ৩টার দিকে লোহাগাড়ার লোহারদিঘী পাড় পুকুর এলাকার আল মদিনা কমিউনিটি সেন্টারের পাশে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। আহত যাত্রীদের পরিচয় পাওয়া গেছে; তাঁরা হলেন— জিন্নাত, জান্নাতি, রেখা, আরাফ, সুমাইয়া, সাব্বির, রিয়াদ, মতি, নাঈম ও তারেক। তারা সবাই বগুড়া জেলার শাজাহানপুর উপজেলার আড়িয়া বাজার এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।