রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, ২০২৪ সালের ১৯ অক্টোবর রাতে জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ভাটিপাড়া এলাকায় নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন ভুক্তভোগী নারী। রাত ১১টার দিকে আসামিরা তাকে ডেকে তুলে মুখে গামছা বেঁধে বাড়ির পাশের একটি বাঁশঝাড়ের নিচে নিয়ে যান। সেখানে তাকে গণধর্ষণ করা হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। তবে ততক্ষণে বাজারের আটটি দোকান পুড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে মুদি দোকান, তুলার দোকান, হোটেল, ভ্যারাইটিজ ও প্লাস্টিকের দোকান, গোডাউন, ফলের দোকান এবং দই-চিড়ার দোকান রয়েছে।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সৈকত দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ ফেন্টানাইল ট্যাবলেটে আসক্ত থাকার পাশাপাশি এর বেচাকেনার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। রোববার বিকেলে চর ভবশুর সরকারপাড়া এলাকায় একটি দোকানের পেছনে আখক্ষেতে অবস্থানকালে পুলিশ তাকে আটক করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন-চার মাস আগে রিমা ওই বাসার একটি কক্ষ ভাড়া নেন। বাসা নেওয়ার সময় নিজেকে বিবাহিত হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন তিনি। গত তিন-চার দিন ধরে কক্ষটির দরজা বন্ধ ছিল। একপর্যায়ে সেখান থেকে দুর্গন্ধ বের হলে বিষয়টি বাড়ির মালিককে জানান প্রতিবেশীরা।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার চরপাকেরদহ এলাকার আব্দুল হান্নানের সেচ পাম্পের ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত রুপসী আক্তার মাদারগঞ্জ উপজেলার ঘোনাপাড়া এলাকার ছাইর উদ্দিনের মেয়ে।
পুলিশের তদন্ত ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চরাঞ্চল ও নির্জন এলাকাকে কেন্দ্র করে তিনটি পৃথক দলের মাধ্যমে এই অবৈধ বাণিজ্য পরিচালিত হতো। প্রথম দলের সদস্যরা জামালপুরের তুলশীপুর হাট থেকে কম দামে অসুস্থ ও অকেজো ঘোড়া সংগ্রহ করতেন। পরে সেগুলো প্রশাসনের নজর এড়িয়ে তুলশিরচর ইউনিয়নের নির্জন মানিকার চরে নেওয়া হতো।
পিবিআই জানায়, প্রায় তিন বছর আগে কাউসারের রাফি স্টোরে কেনাকাটার সূত্রে মিমির সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি। পিবিআইয়ের ভাষ্য, সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করে মিমি কাউসারকে ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায় করতেন। এভাবে কাউসার তাঁর সঞ্চিত অর্থের পাশাপাশি জমি ও স্বর্ণালংকার বিক্রি করেও অর্থ দেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, জামালপুর সদর থানার একটি মামলায় অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ছানোয়ার হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, সকালে ওই ফ্ল্যাটের জানালা দিয়ে নিহতের দুই শিশু সন্তান চিৎকার করতে থাকে। বিষয়টি স্থানীয়রা বাড়ির মালিককে জানালে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দরজার তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে থেকে র্যালিটি বের করা হয়। পরে পৌর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে র্যালিটি পুনরায় উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী দিদারুল ইসলাম দিদার জানান, ২০১৬ সালে মাদারগঞ্জ উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আলতাফুর রহমান আতা ও বিদ্রোহী প্রার্থী ইছাহাকের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনায় ইছাহাকের সমর্থক ও আদারভিটা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মোস্তফাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ গজারিয়া গ্রামে যায়।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন। সভায় পৌর শহরের ফুটপাত দখলমুক্ত করা, যানজট নিরসন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, সীমান্তে চোরাচালান বন্ধ, হাসপাতালে অব্যবস্থাপনা দূর করা এবং মাদকবিরোধী অভিযান জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।