নিহত সারওয়ার জাহান উজ্জল মান্দা উপজেলার চকভালাই গ্রামের বাসিন্দা। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, কালীগ্রামে একটি বসতবাড়ি কেনার পর উজ্জলের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
পুলিশ জানায়, মাছ ধরার একটি তৌরা জাল ২০০ টাকায় বন্ধক রাখাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সূত্রপাত হয়। এর জের ধরে বড় শিবপুর যদুপাড়া গ্রামের মোস্তাকিন (২০) ও তার মাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এতে তারা দুজনই আহত হন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে হাসপাতাল গেটের সামনের ড্রেনে নবজাতকের মরদেহ ভেসে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। তবে প্রাথমিকভাবে শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উত্তরগ্রাম ইউনিয়ন যুবদল নেতা মাহফুজ আলম মাফির নেতৃত্বে একদল লোক ওই বাড়ির সামনে অবস্থান নেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওয়াসিম ওরফে ডাবলুকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগের দিন প্রতিবেশী ওই তিন নারীর সঙ্গে সজল মালীর কথা কাটাকাটি হয়। বুধবার সকালে সজল মালীর স্ত্রীর সঙ্গে তাদের ফের বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হলে স্ত্রীকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান সজল মালী।
ঘটনাটি ঘটেছে মান্দা উপজেলার ঘোনা গ্রামে। ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, গভীর রাতে একদল দুর্বৃত্ত বাড়িতে প্রবেশ করে ঘুমন্ত অবস্থায় ওই নারীর মুখ চেপে ধরে। পরে তার কানে থাকা স্বর্ণের অলংকার জোরপূর্বক টেনে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার রাতে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিজ বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিল রিয়ন। রাতের কোনো একসময় একটি সাপ তাকে দংশন করে। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা প্রথমে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার চেষ্টা করেন।
পুলিশ জানায়, সোমবার ভোররাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ফুড ভিলেজ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় একতা পরিবহনের একটি বাস থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, তারা বাসে করে ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনরা জানান, শনিবার রাতে প্রতিদিনের মতো খাবার খেয়ে নিজ ঘরে ঘুমাতে যান সাথী। রোববার সকালে তার শাশুড়ি গৃহস্থালির কাজে পানি আনতে বাইরে যাওয়ার সময় তাকে ডাকাডাকি করেন। তবে ঘরের ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে তিনি সন্দেহ করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত সাড়ে ৩টার দিকে ডিবি পুলিশ জানতে পারে, ফতেহপুর মুন্সিপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য মজুত রয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত সাড়ে ৩টার দিকে ফতেহপুর মুন্সিপাড়া গ্রামের একটি বাড়িতে বিপুল পরিমাণ গাঁজা মজুত থাকার খবর পায় ডিবি পুলিশ। পরে স্থানীয় লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে গোপালগঞ্জ এলাকায় ওই তিন যুবক প্রকাশ্যে মাদক সেবন করছিলেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে তারা একত্রিত হয়ে তিনজনকে আটক করেন এবং পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়।