পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় জামাল উদ্দিন বাড়ির পাশের ওই চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। এ সময় হেলমেট পরা দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দোকানের সামনে এসে তাঁকে লক্ষ্য করে একাধিক গুলি ছোড়েন। পরে তাঁরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। স্থানীয় বাসিন্দারা গুলিবিদ্ধ জামাল উদ্দিনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
আহত মীযানুর রহমান উপজেলার ১ নম্বর আমানউল্যাপুর ইউনিয়নের আহাম্মদ উল্যাহর ছেলে। হামলার পর স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা দ্রুত ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।
নিহত সুমন উপজেলার উত্তর কুতুবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তিনি কাদিরপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ঘাটলা গ্রামের ওয়ালী বেপারী বাড়ির মাস্টার আবুল খায়েরের ছেলে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাহাপুর কাজীর বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় প্রিয়া আক্তার পিংকির ঘর থেকে ৬৯০ পিস ইয়াবা, ৩০০ গ্রাম গাঁজা এবং মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত একটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়। অভিযানের খবর পেয়ে তাঁর স্বামী হেলাল হোসেন সেখান থেকে পালিয়ে যান।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় ও গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে বিকেল ৫টার দিকে উপপরিদর্শক মো. ওসমান গনির নেতৃত্বে একটি দল রাজ আবাসিক হোটেলে অভিযান চালায়। এ সময় অসামাজিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে আরমান হোসেন, নাছির উদ্দিন, মিজানুর রহমান, মোজাম্মেল হোসেন, রাকিব হোসেন ও সাত নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নিহত আবু বকর সিদ্দিক পিয়াস কবিরহাট উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মালিপাড়া গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে। চার বোনের একমাত্র ছোট ভাই পিয়াস ছোটবেলা থেকেই শান্ত, ভদ্র ও অমায়িক স্বভাবের জন্য এলাকায় সবার কাছে প্রিয় ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে আব্দুল গনির আগের সংসারের ছেলে সাইফুলের একটি ছাগল কুলছুমার লাগানো শিমগাছ খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে সাইফুল ও তার বোনদের সঙ্গে কুলছুমার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তার শরীরে গরম ভাতের মাড় ঢেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
পুলিশ ও শিশুটির পরিবারের সূত্রে জানা যায়, কয়েক মাস ধরে শিশুটি পড়াশোনায় অমনোযোগী হয়ে পড়েছিল। বিষয়টি নিয়ে বাবা-মা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে পরে তার শারীরিক পরিবর্তনও লক্ষ্য করেন তারা। এরপর সোমবার তাকে সুধারাম থানা এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।
সৌদি আরবের আবহা শহরে নিজ বাসায় হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মো. সোহাগ নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। গত সোমবার (৩১ আগস্ট) তার মৃত্যু হলেও এক সপ্তাহ ধরে মরদেহটি স্থানীয় একটি হাসপাতালের হিমঘরে রয়েছে। মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে সোহাগের পরিবার।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাড়ির পাশে খেলাধুলার সময় লাঠির একটি অংশ মোসলিমের বাম চোখে লাগে। পরে তার বাবা-মা তাকে সিএনজিযোগে মাইজদীর দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে যান।
বরখাস্তের আদেশে বলা হয়েছে, অভিযুক্তদের নৈতিক স্খলন এবং তাদের অশালীন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ায় প্রাথমিক শিক্ষার ভাবমূর্তি গুরুতরভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। এ কারণে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৩৯(১) ধারা অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন বিধি অনুযায়ী তারা খোরপোশ ভাতা পাবেন।
শারমিন ৪৯তম বিশেষ বিসিএস পরীক্ষায় প্রতিবন্ধী কোটায় অংশ নিয়েছিলেন। তবে ফলাফল তার পক্ষে আসেনি। চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা শেষ হতে আর মাত্র চার মাস বাকি থাকায় এখন প্রধানমন্ত্রীর কাছে সরকারি চাকরির সুযোগ চেয়েছেন তিনি।