পুলিশ ও শিশুটির স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে শিশুটি তার নানির বাড়িতে একা খেলছিল। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশুটিকে একা পেয়ে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন এবং অভিযুক্তকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ জানায়, অভিযান পরিচালনার সময় প্লাবন মিয়া পালিয়ে যান। তার বিরুদ্ধে গাইবান্ধা সদর থানায় মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত ১৫টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
র্যাব ও মামলার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী নারীর স্বামী দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে থাকেন। একটি এনজিও থেকে ঋণ নেওয়ার সূত্রে মাসুদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একপর্যায়ে মাসুদ ওই নারীর মোবাইল ফোন নিয়ে নেন এবং ফোনটি ফেরত দেওয়ার কথা বলে তাকে নিজের বাড়িতে ডেকে নেন।
পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার, গাইবান্ধার সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর ও ফুলছড়ি থানা এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এর অংশ হিসেবে রেজা মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মাদক সেবন ও ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. রেজা মিয়া (৩৯) ও মো. আয়নাল হক (৪০)কে গ্রেপ্তার করা হয়।
ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর ইউনিয়নের হাছি চৌধুরী বাড়ির মো. লোকমানের ছেলে মোবারক। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা তেমন না থাকায় নিজের নাম কোনো রকমে লিখতে পারলেও পড়তে পারেন না বলে পুলিশ জানিয়েছে। কর্মজীবনের শুরুতে রংমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করতেন তিনি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে শহরের স্টেশন বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১০৫ গ্রাম হেরোইন ও মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, মামলার পর রাতেই কেন্দুয়া পৌরসভার সাউধপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে আবু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার (২৬ আগস্ট) তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
পুলিশ জানায়, গত ১৯ আগস্ট সন্ধ্যায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ খবর পেয়ে আশুলিয়ার ভাদাইল এলাকার একটি ভবনের ছাদ থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় শিশু তাসিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া বিভিন্ন আলামতের ভিত্তিতে ওই ভবনের বাসিন্দা সাইফুল ইসলামকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়।
পিবিআই জানায়, প্রায় তিন বছর আগে কাউসারের রাফি স্টোরে কেনাকাটার সূত্রে মিমির সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি। পিবিআইয়ের ভাষ্য, সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করে মিমি কাউসারকে ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায় করতেন। এভাবে কাউসার তাঁর সঞ্চিত অর্থের পাশাপাশি জমি ও স্বর্ণালংকার বিক্রি করেও অর্থ দেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বাঙ্গাবাড়িয়া এলাকা থেকে একটি গরু চুরি করে নিয়ে যাচ্ছিলেন বেলাল হোসেন। পরে ভোর ৪টা ১৫ মিনিটের দিকে নওগাঁ সদর থানার একটি বিশেষ টহল দল জবার মোড়ে তাকে চোরাই গরুসহ আটক করে।
কলকাতা পুলিশ জানায়, অগ্নিকাণ্ডের পর বীরেশ্বর মিত্র ঝাড়খণ্ডের ধানবাদে পালিয়ে গিয়েছিলেন। পরে কলকাতায় ফিরে বেহালার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন তিনি। সেখানেই অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তেঁতুলিয়া থানার দেবনগর ইউনিয়নের লতিফগছ গ্রামের মজিবর রহমানের মুদি দোকানের সামনে পাকা সড়কে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।