স্থানীয়দের ধারণা, প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন আগে ওই ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। মরদেহটি পচে যাওয়ায় এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বাউফল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজগর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত ডালিয়া আক্তার সুমা কেরানীগঞ্জ মডেল থানার বাস্তা ইউনিয়ন যুব মহিলা লীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি রসুলপুর এলাকার লিয়াকত শিকদারের মেয়ে।
পুলিশ জানায়, চিলাহাটি থেকে রাজশাহীগামী বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পড়ে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তাঁর বয়স আনুমানিক ২৮ বছর। তবে এখন পর্যন্ত তাঁর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, সবুজ মাদকাসক্ত ছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। মাদকের টাকা নিয়ে তিনি প্রায়ই মায়ের সঙ্গে খারাপ আচরণ করতেন বলেও স্থানীয়দের ভাষ্য।
বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার নজিপুর ইউনিয়নের ফহিমপুর গ্রামের কাটাবাড়ি মোড়সংলগ্ন নজিপুর-নওগাঁ আঞ্চলিক সড়কের পাশের একটি নয়নজুলি ডোবায় মরদেহটি দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে তারা বিষয়টি পত্নীতলা থানা পুলিশকে জানান।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে ৯ নম্বর বিসি দাস স্ট্রিটের ওই ভবনে অভিযান শুরু করে পুলিশ। দীর্ঘ সময় অভিযান চালানোর পর শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ভবনের নিচতলার পাশের মাটি খুঁড়ে ওয়াসিম রনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে বরিশাল সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নতুন বাজারের বন বিভাগের কার্যালয়সংলগ্ন এলাকায় ময়লা অপসারণ করছিলেন। এ সময় ময়লার স্তূপের মধ্যে দুটি নবজাতকের মরদেহ দেখতে পান তারা।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ওহাব মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। রোববার বিকেল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
সোমবার দুপুরে উপজেলার শুভরাড়া ইউনিয়নের রানাগাতী গ্রামের মোল্যাবাড়ির বাগান থেকে মাটিতে পড়ে থাকা অবস্থায় বাহারুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা সকালে বাগানের ভেতর তার গুলিবিদ্ধ মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
ফুলপুর থানার ওসি মো. ফিরোজ হোসেন জানান, রাশেদুল নিখোঁজ হওয়ার পরদিন তার মুঠোফোন থেকে পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এ ঘটনায় তার বাবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
উদ্ধারকাজে প্রয়োজনীয় ভারী যন্ত্রপাতির সংকট থাকায় সীমিত সক্ষমতায় অভিযান চালানো হচ্ছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, গাজার আরও ১৪৭টি ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনের নিচে এক হাজারের বেশি মরদেহ চাপা পড়ে আছে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে কুচা, লাইট ও ব্যাগ নিয়ে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন রুবেল। এরপর রাতে আর বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে রোববার সকালে স্থানীয়রা কদমতলা এলাকার একটি ধানক্ষেতে তার মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।