চীন থেকে প্রেমিকা আশিতার (২৫) সঙ্গে দেখা করতে টাঙ্গাইলের সখীপুরে আসা ডং লিয়াং গভীর রাতে সখীপুর ছেড়েছেন। ভিসার মেয়াদ কম থাকায় দুই পরিবার ও আশিতার সঙ্গে আলোচনা করে ঢাকায় অবস্থিত চীন দূতাবাসে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিচ্ছন্ন ও মনোরম পরিবেশে রুচিশীল, সুস্বাদু ও টাটকা খাবার পরিবেশনের পাশাপাশি অগ্রিম অর্ডারের মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে খাবার সরবরাহ করা হবে। এছাড়া আধুনিক ব্যবস্থাপনার কমিউনিটি সেন্টার এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের জন্য হলরুম বুকিংয়ের সুবিধাও রয়েছে।
প্রশিক্ষণে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ৩৬ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিয়েছেন। তিন সপ্তাহ ধরে চলা এ প্রশিক্ষণে পানছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তাসহ চার থেকে পাঁচজন প্রশিক্ষক বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক প্রশিক্ষণ দেবেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাড়ির পাশে খেলাধুলার সময় লাঠির একটি অংশ মোসলিমের বাম চোখে লাগে। পরে তার বাবা-মা তাকে সিএনজিযোগে মাইজদীর দত্তেরহাট ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতালে নিয়ে যান।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে ফারিয়া মায়ের হাত ধরে ছেংগারচর বাজারের সুরুজ প্লাজার সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলি তাকে ধাক্কা দেয়।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে কুচা, লাইট ও ব্যাগ নিয়ে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন রুবেল। এরপর রাতে আর বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে রোববার সকালে স্থানীয়রা কদমতলা এলাকার একটি ধানক্ষেতে তার মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন।
এদিকে রোববার বিকেলে উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও র্যালির কর্মসূচি রয়েছে। কর্মসূচির আগে বাজারের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
আটক ওসমান প্রামাণিক শিলাইদহ ইউনিয়নের করাতকান্দি গ্রামের ইছহাক প্রামাণিকের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে ৭ দশমিক ৬৫ মডেলের একটি বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি নিয়ে দুলাভাই ইসমাইল শেখের বাড়িতে যান ওসমান। সেখানে টাকা-পয়সা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে পিস্তল দেখিয়ে তাঁকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ ওঠে।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক বিরোধের সূত্র ধরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। মূল আসামি জাহিদুল ইসলামের সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের এক নারীর কথিত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করা হয় বলে পুলিশের দাবি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বালিয়াগাড়ী ও মাতাসাগর এলাকায় ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় ও পরিবারের সদস্যদের সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ির একটি কক্ষ থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, সে বিষয়ে পরিবারের সদস্যরাও নিশ্চিত নন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এক মাস একদিন আগে গোবরা গ্রামের তৈয়ব আলীর মেয়ে সানজিদা খাতুনের সঙ্গে খালিদ হাসানের বিয়ে হয়। শুক্রবার রাতে স্ত্রীকে নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে অবস্থান করছিলেন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে খালিদের স্ত্রী সানজিদা ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ দেখতে পান। পরে জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে তিনি স্বামীকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।